প্রদীপ কুমার সিংহ, বারুইপুর; আবারও গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বারুইপুরে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল বারুইপুর থানার পুরন্দরপুর গায়েন পাড়ায়। মৃত বধূর নাম নমিতা গায়েন (২৩)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থানার অন্তর্গত কালিকাপুরের ভাঁটা গ্রামের মেয়ে নমিতার সঙ্গে ৬ বছর আগে বিয়ে হয় পুরন্দরপুর গায়েন পাড়ার প্রসেনজিৎ গায়েনের। এদের দুটি বাচ্চা আছে। এক ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে স্কুলে পড়াশোনা করে।

ছেলের বাড়ির লোকেরা রাত দুটোর সময় বধুর বাপের বাড়িতে নমিতার মাকে ফোন করে বলে যে আপনার মেয়ে খুব অসুস্থ আপনারা এখনি চলে আসুন। মেয়ের বাপের বাড়ির লোকেরা রাত তিনটের সময় প্রসেনজিতের বাড়িতে আসে। এসে নমিতার খোঁজ করলে প্রসেনজিতের মা বলে পুলিশ থানায় নিয়ে চলে গিয়েছে। থানায় এসে খোঁজ নিলে থানা থেকে বলা হয় হাসপাতালে আছে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ছুটে যায় নমিতার বাপের বাড়ির লোকেরা। সেখানে গিয়ে দেখে নমিতার নিথর দেহ বেডে পরে আছে। খবর নিলে প্রসেনজিৎ বলে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে নমিতা।

কিন্তু গলায় দাগ দেখে নমিতার বাপের বাড়ির লোকেদের সন্দেহ হয় যে নমিতাকে খুন করা হয়েছে। মৃতার বাপের বাড়ির লোকের অভিযোগ, নমিতাকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে খুব অত্যাচার করত তাঁর স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকেরা। নমিতা আগেও দুবার বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্ঠা করেছিল। নমিতার বাপের বাড়ির লোকেরা বারুইপুর থানায় প্রসেনজিৎ ও তার পরিবারের লোকেদের নামে অভিযোগ করে। বারুইপুর থানার পুলিশ অভিযুক্ত প্রসেনজিৎকে গ্রেফতার করেছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here