আহতদের পরিবার

সত্যজিৎ ব্যানার্জি, বারুইপুর; কালি পূজার আগেই আবার বাজি কারখানায় আচমকা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো গোটা এলাকা। ৪-৫ টি ড্রামে বাজির মশলা মজুত ছিল। সেই মশলা থেকেই বিস্ফোরণ হয় বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। বাড়ি থেকে কিছু দূরে বাজি তৈরি দেখতে গিয়েছিল বারুইপুরের চাম্পাহাটির নড়িদানা এলাকার জনা কয়েক ছেলে। তাদের মধ্যে ছিল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সুব্রত মণ্ডল ও সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র রুদ্র মণ্ডল। আচমকা ড্রাম ফেটে যায়। প্রচুর আওয়াজে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। আর এর জেরেই কারখানার বাইরে থাকা বিদ্যুতের তার পর্যন্ত ঝুলে পড়ে। গুরুতর আহত হয় সুব্রত ও রুদ্র মণ্ডল।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা ও তাদের পরিবারের লোকজন। নিয়ে আসা হয় বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের কলকাতার বাঙ্গুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ। আহতদের ১০০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে বলে হাসপাতাল সুত্রে খবর। দুই জন চাম্পাহাটির নীলমনিকর হাই স্কুলের ছাত্র। ঘটনার জেরে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কি কারনে এই বিস্ফোরণ তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নড়িদানা এলাকার উত্তম বৈদ্যর বাড়িতে বাজি কারখানায় বাজি তৈরি করা হচ্ছিল। তবে ঘটনায় আহতদের সংখ্যা বাড়তে পারে। ঘটনার পর থেকে বাজি কারখানার মালিক উত্তম বৈদ্যকে পাওয়া যাচ্ছে না। সুব্রত মণ্ডলের দাদু জানান, শঙ্কর বৈদ্যর ছেলে উত্তম বৈদ্যর বাড়িতে বাজি তৈরি হচ্ছিল। তা দেখতে সুব্রত ও রুদ্র গিয়েছিল। তাদের সাথে আরও অনেকে ছিল। আওয়াজ হতে গিয়ে দেখি সবাই পড়ে আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here