সুপারি গাছে গলায় গামছার ফাঁস, দড়ি দিয়ে বাঁধা হাত পা মৃত যুবকের।

সত্যজিত ব্যানার্জি, বারুইপুর; এক যুবকের রহস্য মৃত্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল বারুইপুরে। সোমবার বিকাল পাঁচটা নাগাদ বাড়ির কাছেই একটি সুপারি গাছে গলায় গামছার ফাঁস, চার হাত পা বাঁধা অবস্থায় ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতের নাম সৌমিত্র ঘোষাল(২৬), বাড়ি সাউথ গড়িয়ার গায়েন পাড়ায়। তিনি প্রতিমা তৈরীর কাজ করতেন। এলাকায় কিছু সিপিএম কর্মী ও তৃণমূল কর্মীরা বচসার জেরে ওই যুবককে খুন করেছে বলে অভিযোগ পরিবারের। বারুইপুরের বিজেপি নেতাদেরও তাই অভিযোগ। সৌমিত্র এলাকায় বিজেপির বুথ সভাপতি ছিল বলে দাবি বিজেপির। যদিও সিপিএম ও তৃণমূলের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

 

মৃতের ভাইপো অজয় ঘোষাল বলেন, ‘দুপুর বেলা কাকা কাজ থেকে ফেরার সময় রাস্তায় এলাকার কয়েকজন যুবকের সঙ্গে বচসা হয়। তারা রাস্তাতেই কাকাকে মারধোর করে। তারপর ঋজু সর্দার, সৌরভ সর্দার, সৌমেন সর্দার নামে তিন যুবক ওকে মারতে মারতে পাশের একটি বাগানে নিয়ে যায়। বিকালে সেই বাগানেই সুপারি গাছে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। আমার কাকাকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে।’

বিজেপির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সাধারণ সম্পাদক সুনীপ দাস বলেন, ‘সৌমিত্র ওই এলাকায় ধীরে ধীরে সংগঠন বাড়াচ্ছিল, ভাল কাজ করছিল। তাই শাসকদল তাঁকে খুন করেছে। আর এটা চাপা দিতে সৌমিত্রকে এখন মদ্যপ বলে প্রতিপন্ন করতে চাইছে।’ যদিও বিজেপির এই বক্তব্য উড়িয়ে দিয়ে বারুইপুর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী বলেন, ‘বিজেপি নেতাদের মাথার ঠিক নেই, ওরা মদ্যপদের নিয়ে দল করছে। দলের কোন কর্মী সমর্থক এই ঘটনায় জড়িত নয়।’

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here