সত্যজিৎ ব্যানার্জি, বারুইপুর; বুধবার রাত ৮ টার পর থেকে নিখোঁজ থাকার পর বৃহস্পতিবার সকাল ৫ টা নাগাদ বাড়ির পাশে বাঁশ বাগানে এক যুবকের অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার হল। মৃতের নাম অর্পণ ঘরামী (২৪)। ঘটনাটি ঘটে বারুইপুর থানার সুবুদ্ধিপূর নস্কর পাড়ায় ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগ, স্ত্রী ও তার শ্বশুরবাড়ির শ্বশুর, শ্বাশুড়ির মানসিক চাপে ও দৈহিক অত্যাচারে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছে স্বামী। বারুইপুর থানায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মৃত যুবকের বাবা কমল ঘরামি তার পুত্রবধু পিঙ্কি ঘরামী, শ্বশুর অশোক দাস, শ্বাশুড়ি পদ্মা দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। বারুইপুর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ।
ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায়, বারুইপুরের সুবুদ্ধিপুর নস্কর পাড়ার অর্পণ ঘরামীর সাথে মাত্র ৪ মাস আগে বিবাহ হয় বারুইপুরের মদারাট পঞ্চায়েতের সোলগোয়ালিয়ার পিঙ্কির। অর্পণ ঘরামী বারুইপুরের ফুলতলায় এক কারখানায় কাজ করত। এই প্রসঙ্গে তার বাবা কমল ঘরামী জানায়, আমার ছেলে শান্ত, নিরীহ প্রকৃতির। বিবাহের পর থেকেই আমার পুত্রবধু ছেলের উপর মানসিক অত্যাচার করত। তার বাবা আর মা প্রতিনিয়ত এসে গালিগালাজ করত, খুনের হুমকি দিত। গত সোমবার সকাল ১০টা নাগাদ আমার পুত্রবধু বাপের বাড়ি চলে যায়। মঙ্গলবারও আমার ছেলে আত্মহত্যা চেষ্টা করেছিল। এর পর বুধবার রাত ৮ টায় বাড়ি থেকে দোকানে যাচ্ছি বলে বেড়িয়ে যায়। আর বাড়ি ফেরেনি। এদিন সকালে বাড়ির পাশের বাঁশ বাগানে মৃতদেহ উদ্ধার হয়। গায়ে আগুন দিয়ে ছেলে আত্মহত্যা করেছে। আমার পুত্রবধুর মানসিক চাপে ও অত্যাচারে ও আত্মহত্যা করেছে। তাদের শাস্তি চাই। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

Leave a Reply